বিটকয়েনের দাম ১ লাখ ডলার ($100,000) অতিক্রম করার বিষয়টি এখন আর কেবল স্বপ্ন নয়, বরং ২০২৬ সালের এই সময়ে এটি একটি বাস্তব সম্ভাবনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিটকয়েন রিজার্ভ কীভাবে দামকে এই উচ্চতায় নিয়ে যাবে, তার ৩টি প্রধান কারণ নিচে দেওয়া হলো:
১. বিশাল অংকের কেনাকাটা (The Supply Shock)
আমেরিকার প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, তারা প্রতি বছর ২ লাখ করে মোট ১০ লাখ (১ মিলিয়ন) বিটকয়েন কিনবে।
বিটকয়েনের মোট সংখ্যা নির্দিষ্ট (মাত্র ২ কোটি ১০ লাখ)। এর মধ্যে বেশিরভাগই দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারীদের কাছে আটকে আছে।
যখন আমেরিকার মতো একটি দেশ বাজার থেকে এত বিশাল পরিমাণ বিটকয়েন কেনা শুরু করবে, তখন বাজারে বিটকয়েনের সংকট দেখা দেবে। অর্থনীতির নিয়ম অনুযায়ী, সরবরাহ কমলে এবং চাহিদা বাড়লে দাম হু হু করে বাড়বে।
২. অন্যান্য দেশের প্রতিযোগিতা (Game Theory)
আমেরিকা যদি বিটকয়েন কেনা শুরু করে, তবে চীন, রাশিয়া বা ইউরোপীয় দেশগুলো হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। তারা ভয় পাবে যে আমেরিকা যদি সব বিটকয়েন দখল করে নেয়, তবে ভবিষ্যতে তারা পিছিয়ে পড়বে।
একে বলা হয় "গেম থিওরি"। একটি দেশ কেনা শুরু করলে অন্য দেশগুলোও নিজেদের রিজার্ভ রক্ষার জন্য বিটকয়েন কিনতে বাধ্য হবে।
এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার কারণে বিটকয়েনের দাম খুব দ্রুত ১ লাখ ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়ে যেতে পারে।
৩. প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ মানুষের আস্থা
যখন বিটকয়েন কোনো দেশের সরকারি কোষাগারে (Treasury) জায়গা পায়, তখন সাধারণ মানুষের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেড়ে যায়।
বড় বড় ব্যাংক এবং পেনশন ফান্ডগুলো তখন দ্বিধাহীনভাবে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ করবে।
বর্তমানে বিটকয়েন ৯১,০০০ থেকে ৯৫,০০০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিটকয়েন রিজার্ভের প্রথম কেনাকাটাটি শুরু হওয়ামাত্রই এটি সাইকোলজিক্যাল বাধা ১ লাখ ডলার পার করে ফেলবে।$BTC

