بعد خمس سنوات، فتح عالم الاقتصاد الحديث عن حادثة ‘501 غرفة’ في منتجع رويال في نارايانجانج.
بعد خمس سنوات، فتح عالم الاقتصاد (مأمون الحق) الحديث عن حادثة ‘501 غرفة’ في منتجع رويال في نارايانجانج. يوم السبت (20 يونيو)، في منشور طويل على صفحته المؤكدة على فيسبوك، ادعى أن الحادثة كانت جزءًا من حملة تشويه سياسية من الحكومة السابقة، وكان هدفها تشويهه في العلن وإلحاق الضرر به سياسيًا.
নরসিংদীতে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে অসুস্থ, ফিরে এসে কিশোরের মৃত্যু
নরসিংদীতে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে অসুস্থ, ফিরে এসে কিশোরের মৃত্যু নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় নিবির মিয়া (১৭) নামে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, দাম্পত্য কলহ ও পরকীয়ার জের ধরে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। নিহত নিবির মিয়া পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের ইসলামপাড়া গ্রামের মাসুদ মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তার স্ত্রী ফাহমিদা আক্তার (১৫) একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও একই এলাকার মোশারফ হোসেনের মেয়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের পর নিবির ও ফাহমিদার বিয়ে হয়। বিয়ের পর কিছুদিন সংসার স্বাভাবিকভাবে চললেও বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে ফাহমিদা বাবার বাড়িতে চলে যান। প্রায় দেড় মাস ধরে উভয়ের মধ্যে দূরত্ব চলছিল। পরিবারের সদস্যরা জানান, ফাহমিদাকে ফিরিয়ে আনার জন্য কয়েকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তারা। পরে মঙ্গলবার রাতে নিবির পরিবারের কাউকে না জানিয়ে নিজেই শ্বশুরবাড়িতে যান স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে। রাত ১১টা ৪৬ মিনিটের দিকে শ্বশুরবাড়ি থেকে জহিরুল ইসলাম নামে এক মিশুকচালক নিবিরকে তার বাড়িতে পৌঁছে দেন। সে সময় তিনি অচেতন অবস্থায় ছিলেন।পরিবারের লোকজন প্রথমে তাকে নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহতের বাবা মাসুদ মিয়া বলেন, কক্সবাজারে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ফাহমিদা আমাকে ফোন দিয়ে বলেছিল, আপনার ছেলে আমার কথা শোনে না, আমি তার সংসার করব না। এরপর সে বাবার বাড়ি চলে যায়। আমরা বহুবার তাকে ফিরে আসতে বলেছি। কিন্তু সে আসেনি। পরে আমার ছেলে সেখানে গিয়ে অসুস্থ অবস্থায় ফিরে আসে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। নিহতের বোন রাত্রী আক্তার বলেন, আমার ভাইয়ের সুন্দর জীবন এই মেয়ে নষ্ট করছে। রাত ১১টা ৪০ মিনিটে আমার ভাইকে মিশুক দিয়ে নিয়ে আসে, তখন তার কোনো সেন্স (জ্ঞান) ছিল না। মিশুকচালক বলছে, আমার জীবনে এমন বউ দেখি নাই, স্বামী এমন অবস্থায়, বউ চুপ করে দাঁড়ায়া আছে। তাদের সংসারে কি একটু ও ভালোবাসা ছিল না। অসুস্থ অবস্থায় আনার পরে পানি দিলাম, তাও সুস্থ হয় নাই। তারপর আমার ভাইকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তারা বলে ১০ শতাংশ বেঁচে আছে। পরে ঢাকা মেডিকেলে যেতে বলে। এরপর আমার ভাই মারা যায়। আমি আমার ভাইয়ের খুনের বিচার চাই।” #NewsUpdate #vairalpost #newpost #reelsviral
কারাগারে প্রবেশের সময় তিনি ছিলেন মাত্র ১৫ বছরের এক কিশোর।
কারাগারে প্রবেশের সময় তিনি ছিলেন মাত্র ১৫ বছরের এক কিশোর। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যানের সময় মাত্র শেষ হয়েছে। আর যখন মুক্তি পেলেন, তখন তিনি ৮৩ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ... সামনের পৃথিবীটি যেন তার কাছে সম্পূর্ণ নতুন। জো লাইগন পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকা কিশোর অপরাধী হিসেবে। ১৯৫৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফিলাডেলফিয়ায় এক ডা/কা/তি ও ছু/রি/কা/ঘা/তে/র ঘটনায় গ্রেপ্তার হন লাইগন। কয়েকজন কিশোরের সঙ্গে জড়িত ওই ঘটনায় দুজন নিহত হন। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করে প্যারোলের সুযোগ ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর কেটে যায় একের পর এক দশক। কারাগারের দেয়ালের ভেতরে থেকেই তিনি দেখেছেন পৃথিবীর পরিবর্তন; নতুন প্রজন্ম, নতুন প্রযুক্তি, বদলে যাওয়া সমাজ। কিন্তু নিজে ছিলেন সেই পরিবর্তন থেকে অনেকটাই দূরে। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রায়ে বলা হয়, কিশোরদের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে প্যারোল ছাড়া যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া অসাংবিধানিক। এতে লাইগনের মুক্তির পথ তৈরি হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর একটি ফেডারেল আদালত তার আগের সাজা বাতিল করে। অবশেষে ২০২১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পান জো লাইগন। ততদিনে তিনি প্রায় ৬৮ বছর কাটিয়ে ফেলেছেন কারাগারে। বাইরে এসে তিনি দেখেন এক বদলে যাওয়া পৃথিবী- আধুনিক প্রযুক্তি, উঁচু ভবন আর নতুন জীবনধারা। নিজের মুক্তির অনুভূতিকে তিনি তুলনা করেছিলেন “নতুন করে জন্ম নেওয়ার” সঙ্গে। .#nws #news_update #vairalll #post
আমার স্বামীর গোপন দ্বিতীয় স্ত্রী এসেছে আমার কাছে আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যা দুই পৃথিবী-পর্ব -০১
আমার স্বামীর গোপন দ্বিতীয় স্ত্রী এসেছে আমার কাছে আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান করাতে। আমিও জানতাম না ওনি আমার স্বামীর স্ত্রী। আমি যখন বললাম এই খুশির দিনে আপনার হাসবেন্ড আসে নাই আপনার সাথে? ওনি তখন বললো আসলে ম্যাডাম আমার স্বামী তো তার ব্যবসা নিয়ে প্রচুর জামেলায় থাকে তাই আসতে পারে নাই। এটা বলে ওনি খুশি মনে ওনার মোবাইল থেকে তাদের দুইজনের একসাথে একটা ফটো দেখাইলো। ফটোতে তার স্বামীকে দেখে আমার পায়ের তলা থেকে মনে হলো মাটি সরে গেল। আরে এটা তো সায়ন আমার হাসবেন্ড। কিন্তু আমি তাকে কিছু বুঝতে না দিয়ে তাকে বিদায় করে দিলাম। আমার একটা ৬ বছরের বাচ্চা আছে। আফরিন নামের ওই মেয়েটা যখন চেম্বার থেকে হাসিমুখে বিদায় নিয়ে চলে গেল, আমি ঝটপট আমার এসিস্ট্যান্টকে বলে দিলাম, "আজকের মতো রোগী দেখা শেষ, বাকিদের অন্য ডেট দিয়ে দাও।" ভেতর থেকে দরজাটা লক করে দিয়ে আমি ধপাস করে চেয়ারে বসে পড়লাম। আমার পুরো শরীর কাঁপছিল, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছিল। টেবিলের ওপর রাখা পানির গ্লাসটা নিতে গিয়েও পারলাম না, হাত থেকে ফস্কে পানিগুলো মেঝেতে পড়ে গেল। ঠিক আমার জীবনের মতোই, যা এক নিমেষে ওলটপালট হয়ে গেছে। মোবাইলের স্ক্রিনে দেখা সায়নের ওই চিলতে হাসিটা আমার চোখের সামনে বারবার ভাসছিল। যে মানুষটা প্রতিদিন সকালে আমার আর আমাদের ৬ বছরের ছেলে আদিবের কপালে চুমু খেয়ে বাসা থেকে বের হয়, যে মানুষটা রাতে বাড়ি ফিরে আদিবকে কোলে নিয়ে গল্প করায়—সে অন্য একটা মেয়ের স্বামী! আর সেই মেয়েটা এখন সায়নের সন্তানের মা হতে চলেছে! "ব্যবসায় প্রচুর ঝামেলা থাকে"—আফরিনের এই কথাটা আমার কানে তীরের মতো বিঁধছিল। এবার আমার মাথায় সব হিসাব মিলতে লাগল। গত এক বছর ধরে সায়ন প্রায়ই বলত, "ব্যবসায় একটু মন্দা যাচ্ছে, ঢাকার বাইরে ক্লায়েন্ট মিটিং আছে।" কখনো চিটাগং, কখনো সিলেট যাওয়ার নাম করে ও তিন-চার দিন উধাও থাকত। আমি সরল বিশ্বাসে ভাবতাম, লোকটা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য কত কষ্ট করছে! অথচ ও সেই দিনগুলো কাটাত আফরিনের সাথে, আরেকটা সংসারে! কান্নায় আমার বুক ফেটে যাচ্ছিল, কিন্তু আমি নিজের গালে থা*প্পড় মে*রে থামালাম। না, এখন কান্নার সময় না। আমার একটা ৬ বছরের বাচ্চা আছে, ওর ভবিষ্যতের দায়িত্ব আমার। আমি যদি এখন ভেঙে পড়ি, তবে সায়ন খুব সহজে পার পেয়ে যাবে। ও একটা ধূর্ত লোক, আমি চেম্বারে সিনক্রিয়েট করলে ও উল্টো আফরিনকে সরিয়ে ফেলত আর নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার নাটক করত। আমি ব্যাগটা গুছিয়ে চেম্বার থেকে বের হলাম। গাড়িতে উঠে ড্রাইভারকে বললাম বাসার দিকে যেতে। পুরোটা পথ আমার শুধু আদিবের মুখটা মনে পড়ছিল। ও এখনো কত ছোট, কিচ্ছু বোঝে না। ও জানে ওর বাবা পৃথিবীর সেরা বাবা। এই নিষ্পাপ বাচ্চাটার সামনে আমি কীভাবে এই সত্যিটা আনব? বাসায় যখন পৌঁছালাম, তখন সন্ধ্যা সাতটা। কলিংবেল চাপতেই আদিব এসে দরজা খুলে দিল। "আম্মু! তুমি আজকে এত তাড়াতাড়ি চলে আসলে?" ও আমার গলা জড়িয়ে ধরল। আমি অনেক কষ্টে নিজের চোখের পানি লুকিয়ে ওকে কোলে নিলাম। ওর কপালে চুমু খেয়ে বললাম, "হ্যাঁ বাবা, আম্মুর আজকে একটু তাড়া ছিল।" আদিবকে ওর রুমে পাঠিয়ে আমি ড্রয়িংরুমে এসে বসলাম। ঘড়ির কাটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। রাত নয়টা বাজে সায়ন বাসায় ফেরে। আজকেও ফিরবে। কিন্তু আজকে আর পাঁচটা দিনের মতো সাধারণ কোনো রাত হবে না। আজ আমি কোনো ঝগড়া করব না, আমি সায়নের মুখ থেকেই সত্যিটা বের করব, কিন্তু এমনভাবে যা ও কল্পনাও করতে পারবে না। ঠিক রাত নয়টা বেজে দশ মিনিটে দরজার লক খোলার শব্দ হলো। সায়ন ভেতরে ঢুকল। হাতে মিষ্টির প্যাকেট, মুখে সেই চিরচেনা ক্লান্ত অথচ মায়াবী হাসি। ওর দিকে তাকিয়ে আমার ভেতরের ঘৃণাটা দাউদাউ করে জ্বলে উঠল। কিন্তু আমি মুখে একটা স্বাভাবিক হাসি টেনে বললাম, "আজকে এত খুশি কেন? মিষ্টি এনেছ যে?" সায়ন জ্যাকেটটা খুলতে খুলতে বলল, "আরে বলো না, ব্যবসায় একটা বড় ডিল ফাইনাল হলো আজ। অনেকদিনের একটা ঝামেলা মিটলো।" আমি মনে মনে হাসলাম। ঝামেলা তো কেবল শুরু হলো, সায়ন।সায়নের মুখের "বড় ডিল ফাইনাল" হওয়ার কথাটা শুনে আমার বুকের ভেতরটা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু আমি আমার ভেতরের ঝড়টাকে বাইরে প্রকাশ পেতে দিলাম না। যে মানুষটা এত নিখুঁতভাবে অভিনয় করতে পারে, তার মুখোশ টেনে খুলতে হলে আমাকেও সমান চতুর হতে হবে। আমি মিষ্টির প্যাকেটটা হাত বাড়িয়ে নিলাম। বললাম, "খুব ভালো কথা। হাত-মুখ ধুয়ে এসো, আমি চা বানাচ্ছি। আজকে স্পেশাল ডিল ফাইনালের সেলিব্রেশন হবে।" সায়ন আমার দিকে তাকিয়ে একটু অবাক হলো কি না জানি না, তবে ও হাসিমুখে ওয়াশরুমের দিকে চলে গেল। ও ভেতরে ঢুকতেই আমি রান্নাঘরে গেলাম।চায়ের পানি বসিয়ে দিয়ে ড্রয়ার থেকে একটা ধারালো ছুরি বের করলাম। লেবু কাটার বাহানায় ছুরিটা হাতে নিয়ে আমার মনে হলো— চলবে... দ্বিতীয় পর্ব পোস্ট করা হবে সবাই পেজটি ফলো করে ছোট একটা কমেন্ট করবেন। #NewsUpdate #vairalpost #foryouシpage🥀❤️🥀❤️ #vairal #trend?💔💔🤕🤕 #ইনশাআল্লাহ_যাবে_foryou_তে💔🥀। #সবাই_একটু_সাপোর্ট_করবেন_প্লিজ🙏
سيسقط فيه إسلام أباد سيكون بعده بثلاثة أيام سقوط دكا على يد دلهي.
لماذا بالضبط ثلاثة أيام؟ لماذا ليس في نفس اليوم؟ السبب...
الطلاب والجماهير في هذا البلد سيشكلون مقاومة شديدة ضد العدوان من دلهي. لكنهم لن يستطيعوا الصمود أكثر من ثلاثة أيام أمام هذا العدوان. ببساطة، الأسلحة النووية التي توفر الأمان لباكستان، ستوفر نفس الأمان لبنغلاديش التي تبعد آلاف الأميال.#pakistan #محمدعليجناح #كشمير #بنغلاديش
একজন মানুষ তার জীবনের ৪৩টি মূল্যবান বছর কাটালেন কারাগারের অন্ধকারে। সমাজ তাকে অপরাধী বলেছে, আইন তাকে দোষী বলেছে, মানুষ তাকে ঘৃণার চোখে দেখেছে। কিন্তু দীর্ঘ ৪৩ বছর পর জানা গেল— তিনি নির্দোষ! ভাবুন তো, ৪৩ বছরে একটি শিশু জন্ম নিয়ে মধ্যবয়সে পৌঁছে যায়। পৃথিবী বদলে যায়, প্রযুক্তি বদলে যায়, প্রজন্ম বদলে যায়। কিন্তু একজন নির্দোষ মানুষ বন্দী থাকেন চার দেয়ালের মাঝে, এমন একটি অপরাধের শাস্তি ভোগ করতে থাকেন যা তিনি কখনো করেনইনি। প্রশ্ন হলো, হারিয়ে যাওয়া ৪৩ বছর কি কেউ ফিরিয়ে দিতে পারবে? তার যৌবন, তার স্বপ্ন, তার পরিবার, তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়— এসবের মূল্য কি কোনো ক্ষতিপূরণ দিয়ে পরিশোধ করা সম্ভব? এই ঘটনা শুধু একজন মানুষের গল্প নয়, এটি আমাদের বিচারব্যবস্থার জন্য একটি বড় শিক্ষা। কারণ ভুল রায় শুধু একজন মানুষকে নয়, একটি পুরো জীবনকে ধ্বংস করে দিতে পারে। আজ তিনি মুক্ত, কিন্তু তার হারিয়ে যাওয়া ৪৩ বছর চিরকাল ইতিহাসের পাতায় একটি বেদনাদায়ক প্রশ্ন হয়ে থাকবে— "নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার জন্য যদি ৪৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়, তবে ন্যায়বিচার আসলে কতটা ন্যায়সঙ্গত?" মানবতার স্বার্থে এই ঘটনা আমাদের সবাইকে ভাবতে শেখাক। 💔 #NewsUpdate #reels #vairalpost #pageforyou
কী করছে এই যুবক? ভিন্ন কিছু মনে হচ্ছে, তাই না? আজ সকালে এই যুবককে দেখলাম একটি বাসের হেল্পার হিসেবে কাজ করতে। খুব দ্রুত কাজ করছে, কিন্তু কোথাও কোনো হইচই নেই, ভাড়া নিয়ে তর্ক-বিতর্ক নেই। বিষয়টি প্রথমে স্বাভাবিকই মনে হয়েছিল। তবে কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলাম এক অসাধারণ ব্যাপার। এক যাত্রী বললেন, “আমি স্টুডেন্ট।” যুবকটি মুচকি হেসে বলল, “আজ ফুল ভাড়া দেওয়া যায় কিনা?” যাত্রী ফুল ভাড়া দিতে গেলে সে নিল না। বরং মাথায় হাত রেখে বলল, “মন দিয়ে পড়াশোনা কইরেন ভাইজান। পড়াশোনাটা খুব দরকার।” আরেকজন ছাত্রের কাছেও একই রকম আচরণ। সে বলল, “অনেক বড় মানুষ হতে হবে কিন্তু। বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে হবে। মনোযোগ দিয়ে পড়বেন, কোনো বিষয়ে হতাশ হবেন না।” তৃতীয় একজন ছাত্রকে বলল, “দোয়া করি, অনেক ভালো মানুষ হন। অনেক দূর পড়াশোনা করেন।” ভাবতে অবাক লাগে—একজন বাস হেল্পার, অথচ ছাত্রদের প্রতি তার এমন শ্রদ্ধা, এমন আন্তরিকতা! শুধু ছাত্ররাই নয়, বাসে থাকা বয়োজ্যেষ্ঠ যাত্রীদেরও তিনি ‘চাচা’ বা ‘আংকেল’ বলে সম্বোধন করছিলেন। কাউকে ফ্যানের বাতাসের কাছে দাঁড়াতে বলছেন, নিজে ফ্যান ঠিক করে দিচ্ছেন। আবার একজন বয়স্ক যাত্রীকে বাসে উঠতে দেখে বললেন, “চাচা, এই বাসেও যেতে পারবেন। কিন্তু আপনার কষ্ট হবে। পেছনের গাড়িটাতে উঠেন, সিট ফাঁকা আছে।” যেখানে অনেক সময় যাত্রী তোলাই মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়, সেখানে এই যুবক মানুষের বয়স, স্বাচ্ছন্দ্য ও প্রয়োজনের কথা ভেবে পরামর্শ দিচ্ছে। পরে তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হলো। জানতে চাইলাম, কেন তিনি এত আন্তরিক? তিনি শান্তভাবে বললেন, “জীবনে অনেক ঠকছি। আমি জানি ঠকার কষ্ট কী। তাই কাউকে ঠকাতে চাই না। পারলে উপকার করি। আমার তিন মেয়ে। ওরা অনেক শিক্ষিত হবে—এইটাই চাই।” মানুষকে বড় করে তার পেশা নয়, তার চিন্তা, তার ব্যবহার এবং তার মানবিকতা। রাসেল নামের এই যুবক হয়তো সমাজের চোখে একজন সাধারণ বাস হেল্পার, কিন্তু তার মূল্যবোধ অনেক তথাকথিত শিক্ষিত মানুষের জন্যও অনুকরণীয় হতে পারে। সালাম সেই মানুষটিকে, যিনি নিজের সংগ্রামের মাঝেও অন্যকে স্বপ্ন দেখতে শেখান। #NewsUpdate #facebookreels #Bangladesh #vairalpost #newsfeed
Life changed when she came to steal! She entered the shop wearing a mask to steal, but was caught red-handed. When everyone wanted to know the truth, the story of a helpless mother's tears came out... 💔My husband is not here, I came to steal just to put food in the child's mouth..." Hearing these words, the shopkeeper's heart melted. Instead of punishing him, he said, "From today on, I am responsible for you and your child." What happened next, even compared to the story of a movie! 😳❤️When she came to steal, fate opened... The hand that was supposed to be handcuffed fell on the hand that was supposed to be handcuffed, the wedding ring fell on the hand! 💍 🥰 This incident took place in the famous Gauchia Market in Dhaka.
🔺Do you recognize the man in the picture?? He is former minister Dipu Moni's husband Taufiq Newaz.
He appeared in the tribunal in a wheelchair to see Dipu Moni. He was once known as an influential and high-profile lawyer in the country. He was originally Sheikh Hasina's lawyer.
There are two cases against Taufiq Newaz in the ACC for acquiring illegal assets worth about 8 crore taka and fraudulent transactions worth 60 crore taka.
This picture of Dipu Moni's unhealthy husband is the biggest proof that power and dominance are not for life. The world is round. When you are in power, you have to suffer the consequences of whatever you do, whether good or bad. People get the consequences of their work in this world in one way or another. What we do today, we will have to answer for tomorrow.
Everything has an end, so we should be restrained while we have time, because at the end of the day, our actions become our identity.
وقار الزمان هو الرئيس الحالي والثامن عشر لهيئة أركان الجيش في بنغلاديش. إنه ضابط عسكري ذو خبرة وتعليم عالٍ، وقد شغل مناصب مهمة على الصعيدين الوطني والدولي خلال مسيرته الطويلة. 😊
الحياة المبكرة والتعليم🎀
ولد وقار الزمان في 16 سبتمبر 1966 في دكا. موطنه الأصلي في منطقة شيربور. كان والده أسد الزمان قاضيًا في المنطقة. 👍
أكمل تعليمه الثانوي (SSC) والتعليم العالي الثانوي (HSC) من مدرسة جامعة المعمل وكلية، دكا. لاحقًا، حقق نجاحًا ملحوظًا في التعليم العسكري والأكاديمي العالي.
تلقى تدريبًا عاليًا من كلية قيادة وأركان الخدمات الدفاعية (ميربور) وكلية قيادة وأركان الخدمات المشتركة، المملكة المتحدة. كما حصل على درجة الماجستير في الدراسات الدفاعية (MDS) من الجامعة الوطنية ودرجة الماجستير في الدراسات الدفاعية من كلية كينغ، جامعة لندن. ❤️
المسيرة العسكرية👍
في 20 ديسمبر 1985، تم تعيينه في فوج البنغال الشرقي للجيش البنغلاديشي. لقد شغل مناصب مهمة عديدة في مسيرته الطويلة.
قبل أن يصبح رئيس الأركان، شغل منصب رئيس الأركان العامة (CGS) والضابط الرئيسي للموظفين (PSO) في قسم القوات المسلحة.
لإسهاماته في تحديث ومهارات الجيش الاحترافية، حصل على وسام 'أوسامانيا سيفا باداك (OSP)' و'سينا غورا باداك (SGP)'. كما شغل منصب قائد عرض يوم النصر الوطني عدة مرات.
الحياة الأسرية❤️
تزوج من السيدة سارة ناز كماليكا. زوجته هي ابنة رئيس الأركان السابق، الجنرال الراحل مصطفى زهران. لديهم ابنتان—رايسة زمان وشايرا ابنة زمان. 🦋
شاب تعرض للتعذيب من قبل مجموعة في براهمنباريا بتهمة استخدام المخدرات. في ذلك الوقت، لفت مشهد انتباه الجميع حتى بين الحشد الموجود. كانت الأم تمسح بحنان الأوساخ والكدمات على وجه ابنها بيدها. 😢
يمكن الحكم على أخطاء الأطفال، ويمكن أيضًا معاقبتهم. لكن الأم تظل أمًا. قلب الأم يبكي أولًا عندما ترى ألم طفلها. حتى عندما يجد الجميع في العالم عذرًا، تشعر الأم بألم طفلها أولًا. عند رؤية الأوساخ على وجه ابنها وكدمات على جسده، تنسى ألمها الخاص وتحاول أن تحتضنه.
لا مقارنة لحب الأم. تعاني الأم لأنها تنسى طفلها، لكن تعاطفها مع طفلها لا يتراجع أبدًا. أسمى حب في العالم يُطلق عليه اسم أم. ❤️