ডিভোর্সের দুই বছর পর আমি আবার গেলাম প্রাক্তন স্ত্রীর বাড়িতে। উদ্দেশ্য একটাই—আমার ছেলেকে নিজের কাছে নিয়ে আসা। আমাকে দেখেই শ্বশুর মশাই ভীষণ আপ্যায়নে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। বিশাল খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন। মানুষটা শুরু থেকেই আমাকে পছন্দ করতেন, এখনও করেন। আমাদের সংসার ভাঙার পেছনে আসল ঝামেলাটা ছিল মেয়ের মায়ের কারণে। তার নানা কু-বুদ্ধি আর উস্কানিতেই আজ এই বিচ্ছেদ। খাওয়া-দাওয়া শেষে সাহস করে বললাম, “বাবু তো এখন বড় হয়েছে। এবার ওকে নিজের কাছে রাখতে চাই।” শ্বশুর মশাই বিষণ্ণ মুখে বললেন, “ঠিকই তো, তোমার ছেলে। তুমি নেবে না তো কে নেবে?” আমি বললাম, “আইনি কাগজে একটু ঝামেলা আছে। সব মিটিয়ে খুব শিগগিরই নিয়ে যাবো।” কিছুক্ষণ গল্প করে যখন বাড়ি ফেরার জন্য রেডি হলাম, তখন দরজার কাছে এসে হঠাৎ চোখে পড়ল—দূরের ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে আছে সে। আমার প্রাক্তন স্ত্রী। চোখ দুটো অশ্রুসিক্ত। ভেজা চোখে দূর থেকেই আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমিও কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম। হঠাৎ করে বুকের ভেতরটা জ্বলে উঠল। তার চোখের কান্না দেখে অসম্ভব খারাপ লাগছিল। আমারও চোখের কোণে জল জমে উঠেছিল। পুরুষ মানুষ—চাইলেই তো চোখের জল ফেলতে পারে না। কিন্তু বুকটা ফেটে যায় নীরবে। একটা সময় চোখ সরিয়ে নিয়ে গেটের দিকে পা বাড়ালাম। কিন্তু কেমন যেন পা আর এগোচ্ছে না। পেছনে একবার তাকালাম। দেখলাম—সে এখনও দাঁড়িয়ে আছে। একইভাবে তাকিয়ে। অসহায়। ভাঙা। নিঃস্ব। মনে হচ্ছিল, যদি বলি— “চলো, সব ভুলে আমার সাথে চলে আসো...” সে কি আসত? কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, পুরো সময়টাতে আমাদের কোনো কথা হয়নি। শুধু দূর থেকে দূরে—দুজন দুজনকে দেখেছি। তার সাথে কথা বলতে খুব ইচ্ছে করছিল। কিন্তু আবার রাগও ছিল। সে আমাকে ছেড়ে চলে এসেছিল—এই ভাবনাটা তখনও আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল। তাই আর কিছু বলা হলো না। তবুও সত্যিটা এড়াতে পারি না—আমি তাকে এখনো অনেক ভালোবাসি। নিজেকে শক্ত করে সামনে এগোতে শুরু করলাম। আর পেছনে তাকানোর সাহস পেলাম না। টানা ছয় বছরের সংসার ছিল আমাদের। সামান্য কিছু বিষয় নিয়ে ঝামেলা। আর সেই কারণেই ডিভোর্স পর্যন্ত গড়িয়েছিল সবকিছু। জানেন, আমি কোনোদিন তার গায়ে হাত তুলিনি। আজও তার অন্য কোথাও বিয়ে হয়নি। আমিও বিয়ে করিনি। বিয়ের পর যেদিন আমাদের বাসর হয়েছিল, সেদিন সে বলেছিল— “কখনো আমাকে ভুলে যাবেন না।” আমি বলেছিলাম— “কখনোই না।” সে বলেছিল— “আমি আপনাকে অনেক ভালোবাসবো।” সেই রাতটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ রাত মনে হয়েছিল। ভেবেছিলাম—আল্লাহ আমাকে জীবনের সেরা জীবনসঙ্গী দিয়েছেন। সেদিন থেকেই তাকে ভালোবাসতে শুরু করেছিলাম গভীরভাবে। কিন্তু দুই বছর পর হঠাৎ করে তার সাথে দেখা হওয়ার পর... সব কিছু কেমন যেন বদলে গেল। তার সেই চোখ। ওই অসহায় দৃষ্টি—কিছুতেই আর উপেক্ষা করতে পারলাম না। কাজে মন বসে না। খেতে পারি না। ঘুম আসে না। দিন-রাত মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টা শুধু সেই চোখ দুটোই চোখের সামনে ভাসে। দুই বছর রাগ আর অভিমানে না দেখেই কাটিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু একবার দেখার পর—নিজেকেই আর চিনতে পারছি না। শেষমেশ আর কিছু না ভেবে, পরের সপ্তাহেই আবার প্রাক্তন স্ত্রীর শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম...! #foryou #fyp #সৌদি_প্রবাসী🇧🇩 #lovestory #Banglanews #reelsvideo #NewsUpdate
যে মানুষটা তোমার জন্য কাঁদছে তোমার একটুখানি কন্ঠ শোনার আশায় ফোনের ওপাশে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করছে, যে মানুষটা তোমার জন্য নিজের আত্মসম্মান হারাচ্ছে বিশ্বাস করো অতীতে সে এমন ছিল না।আর নিশ্চিত থাকো, ভবিষ্যতেও সে এমন থাকবে না। যে মানুষটা আজ তোমার জন্য চোখ ভিজিয়ে রাখে, তার অতীত খুঁজে দেখো বড় বড় দুঃখেও সে কাঁদেনি,ভাঙ্গার শব্দ শুনেও সে শক্ত থেকেছে। আজ যে মানুষটা তোমার একটি কথার জন্য অপেক্ষা করে, অতীতে তার সঙ্গে কথা বলার জন্য অনেকেই অপেক্ষা করত। যে মানুষটা আজ তোমার অবহেলা সয়ে নীরবে ভালবেসে যাচ্ছে, তার অতীতে কেউ সামান্য অপমান করলেও সে প্রতিবাদ করেছে। আজ সে চুপচাপ, আজ সে বোকা, আজ সে তোমার অবহেলায় সবার হাসির পাত্র। এমনকি প্রকৃতিও যেন তার প্রেম নিয়ে ব্যঙ্গ করে যায়।কিন্তু ভুলে যেও না সে এমনই থাকবে না চিরকাল। একদিন সেও বদলে যাবে,বদলাতে তাকে হবেই আবেগ দোষ নয়, আবেগই মানুষকে মানুষ করে তোলে। কিন্তু সেই আবেগ যেন এতটা না বাড়ে, যে আবেগের সুযোগ নিয়ে কেউ তোমার আত্মসম্মানটা ভেঙ্গে দিতে পারে..!💔😅 #lovestory #life #vairalpost
7-Year-Old Child Slit-Throat to Death After Rape in Mirpur #JusticeForMirpurChild #ChildSafetyBangladesh #StopChildAbuse #MirpurNews #JusticeDelayedIsJusticeDenied #EndViolenceAgainstChildren #BangladeshCrimeNews